ক বি গৌ ত ম রা য়
গৌতম রায়
জন্ম:- ৬ ই সেপ্টেম্বর,১৯৬৪, শাঁকড়া, পাড়া, পুরুলিয়া। বাংলাভাষা ও সাহিত্যে স্নাতকোত্তর, বি এড্ ডিগ্রি।পেশা- উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকতা।নেশাঃ ভালোবেসে কবিতা চর্চা। ভালোবাসেন কবিতার বাঁক। কবিতায় আবহমান ও প্রবহমানকে সম্মান জানিয়ে ধারামুক্তির নিরন্তর প্রয়াসী ।
গ্রন্থ তালিকা:- চৈতন্যভূমিতে,কালের প্রতিমা, উষ্ণতায় আহত আলো.নয়নতারা,শুভদার মাদল, জল সিন্থেসাইজার,স্থাপত্য স্টেশন,ধরে রাখি পারাবত নিশান,ড্রোনদৃষ্টি প্রভৃতি।
সম্পাদিত পত্রিকা- অনৃজু (সহ-সম্পাদক )।বহু পুরস্কারে ভূষিত এই কবি–বাইদবহাল পুরস্কার - ২০১০ ,আমার রূপসীবাংলা পুরস্কার- ২০১০ সুদেষ্ণা স্মৃতি সাহিত্য পুরস্কার-২০১১,মন্দাক্রান্তা পুরস্কার- ২০১৮, গাংচিল সাহিত্য পরিষদ বাংলাদেশ কর্তৃক নবান্ন কবি সম্মান - ২০১৯,পুরুলিয়া আন্তর্জাতিক কবিতা উৎসব- ২০২০,.সাহিত্য আলপনা পুরস্কার-২০২১। সোপান সাহিত্য পুরস্কার -২০২২ /সোপান সুবর্ণ জয়ন্তী উৎসব, বিষ্ণুপুর।
দুটি কবিতায়
কবি গৌতম রায়
বরণ
পলাশের তেপাতায় ডুবে থাকে হৃদয় হেঁটে আসেন ত্রিদেব
আমার মাটি আমার কাঁসাই
হয়ে থাকে মোরাম রাঙা,
পুকুরে ফুটে থাকে শালুক
শ্রাবণ উঠোনে অঝোর বৃষ্টি
ওষ্ঠ অধরে তুলে নি মন্থন বাহার।
নার্সারি থেকে মোড়ক বন্দি কোনো গোলাপ বা ঋতুফুলের তোড়া নয়
এখানে ঘন ঘন ফ্লাস আলোর ঝলকানি নেই, ধান দুব্বো কড়ির বরণকুলো জড়িয়ে ধরে বন্ধুত্বে,
আপ্লুত হই আবহমান বাংলাজ ঘ্রাণে
হাওয়া বইতে থাকে মায়ের আঁচল থেকে
এ সাবেকি হাওয়ার জলীয় বাষ্পে ভিজতে থাকি ভিজতে থাকি
একটি শ্রাবণ সন্ধ্যা একটি কবিতা সন্ধ্যা এঁকে চলে অনুসূয়াপথ
পেছনে পেছনে পা ফেলে নিজেকে এগিয়ে রাখে আমন।
জীবন
চোখের উপর মনিটরিং গ্লাসে যে শিলারাশি দেখা যায়
তার ভেতর অন্তরমহল সাহচর্য খুঁজি, উঠে আসে প্রাণ
গড়াতে থাকি, মোল্ড হই আজীবন।
আর কিছু নয়
জীবনের দাবি পৃথিবীর ভালো বন্ধু হওয়ার নিশান ওড়ানো।


Comments
Post a Comment