ক বি অ রূ প দ ত্ত
অরূপ দত্ত
শ্রাবণের ঘোর
লন্ঠন নিভে গেলে জোনাকির আলো
চাঁদ যদি জেগে থাকে মেঘের ওপারে,
বনে বনে এমন মেদুর ক্ষনে
মনে মনে হাতে হাত রাখা ভালো।
দরজা পেরিয়ে যাই যেখানে প্রানের ভ্রমর
চিবুকে আঙুল ছুঁয়ে চোখে রাখি চোখ,
পাড়ে পাড়ে ওড়ে প্রজাপতি সুখচরে সুখ
সেখানে নৌকা বাঁধি সুদূর শ্রাবণের ঘোর।
মেঘ মনোনীত স্বপ্ন ওড়াই আকাশে
লাটাই নিয়ে ছুটে যাই তোমার কাছে,
তবু যদি অভিমানে ফিরিয়ে নাও মুখ
তবে চুমুর ইচ্ছা পূরণ এই অবকাশে।
নিঃশব্দে সাজাই তোমায় চন্দনের ফোঁটা
কেউ কোত্থাও নেই ধরো একা একা,
তবু ভোর ভোর স্বপ্নের ভেতর শুধু
ওড়ে বিচ্ছেদ আর কতো অবহেলা।
অভিমান
চিতার আগুন থেকে যে আলো জন্মালো,
দাঁড়িয়ে থেকে ঠায়
চির-উন্মাদ তার সবটুকু নিয়ে
আজ শরতের দরজায়।
মেঘে মেঘে কানাকানি হলে,
দূরে দাঁড়িয়ে হেমন্তের আলো
মেখে ছিল অভিমান।
শরতের যদি মেঘ থাকে
তবে তার কুয়াশা'ও আছে।
চির-উন্মাদ কেন তবে,
ঘন কুয়াশায় হারিয়ে যাওয়ার আগে
শুধু শুধু মেঘেদের কাছে যায়?


চমৎকার লাগল দুটি কবিতাই।
ReplyDelete