ক বি না গ সে ন
নাগসেন
জন্ম:-১৯৬৯ সালে, বঙ্গোপসাগর ছুঁয়ে থাকা সাগরদ্বীপে। আসল নাম দেবদুলাল পাঁজা।'নাগসেন' ছদ্মনামেই বরাবর কবিতা লেখেন। নব্বই দশকের কবি।একসময় সম্পাদনা করেছেন 'শতাব্দীর মুখ 'এবং 'কবিতা এবং কবিতা 'নামের দুটি বিশিষ্ট সাময়িকপত্র।পেশা : শিক্ষকতা। প্রকাশিত কবিতাগ্রন্থ:-'নিরুৎসব স্বগতকথন ', 'এণ্ডিগেন্ডিদের কথা 'এবং 'স্পর্শের নিকটে একা জন্মান্তর '।প্রথম কবিতাগ্রন্থটি রামমোহন ফাউন্ডেশান এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের যৌথ উদ্যোগে ২০১৫বর্ষে ক্রয় করে নির্বাচিত কিছু পাঠাগারে রাখা হয়েছে। ২০১৬-তে স্বপ্নকুঁড়ি-র আমন্ত্রণে বাংলাদেশের ঢাকা, বিক্রমপুর ও বরিশাল গেছেন কবিতার জন্য। লাভ করেছেন "কবি মাহবুব উল আলম চৌধুরী সম্মাননা :২০১৫"। অতি সম্প্রতি কুসুমের ফেরা পত্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ইলিশ উৎসবে এই কবিকে প্রথম বার "কবি উৎপলকুমার বসু স্মৃতি পুরস্কার "-এ সম্মানিত করা হয়েছে। কবিতার পাশাপাশি ছোটগল্প এবং কবিতা-বিষয়ক গদ্য রচনায় এই কবির আগ্রহ রয়েছে। করে চলেছেন কবি সামসুল হক বিষয়ক গবেষণাধর্মী একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজও।
দুটি কবিতায়
কবি নাগসেন
কথা অনির্বাণ
চাঁদের কোনো উল্টোপিঠ নেই
মাঞুরিয়া থেকে উড়ে আসা বরফকণিকা
আমি তোর চাঁদমুখে সাজিয়ে রাখলাম
চাঁদের কোনো সোজাপিঠও নেই
আর তাই তারাজ্বলা রাতে
আমি একা মরে গেছি তৃতীয় প্রহরে
পুকুরের পাড় থেকে ডেকে উঠছে নিশি
কিশোরীর রক্তবমি এঁকেছে আল্পনা
নিশিকুটুম্বের যে কাহিনীখানি
ভেসে যাচ্ছিলো জলে---বলো---
সেকথা নিশ্চয়ই তুমি কাউকে বলোনি
কেনো কেনো কেনো
দাও পাটাতন আমাকে আশ্রয়
নদী আমাকে ডাক পাঠাও
ওই এলো শ্রাবণের ধারা
আমি বড়ো রয়েছি অসুখী
কতোদিন ডাকোনি আমায়
কতো কতো রাত নিয়তিনির্ভার
জ্বলে শুকতারা অপার আকাশে
নদীর ওপরে তার ছায়ামুখ ভাসে
আমার মৌসুমী মন কম্পিতশিখায়
কেনো ভেসে যেতে পারিনি সন্তাপে
কেনো টিলার নিকটে ছিলো সুতিকাগৃহটি
তুমি পারতেই বলে দিতে আমাকে অনায়াসে
আমাকে করেছো তুমি উজ্জ্বলউদ্ধার


Comments
Post a Comment